বান্দরবানের দুর্গম এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ

বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন দুর্গম ও বিদ্যুৎবিহীন এলাকার ১০ প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংসদ সদস্যের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া ত্রাণ ‘নয়-ছয়’ না করে দুর্গম জনপদকে বিদ্যুতালোকিত করার এ উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর। প্রথম পর্যায়ে রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলার ১০টি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে গত ৩ জুলাই ১০টি সোলার প্যানেল দেওয়া হয়েছে।

এ উপলক্ষে শহরের মধ্যমপাড়ায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের হাতে সোলার প্যানেল তুলে দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘সমাজের কোনো একটি ক্ষুদ্রতম অংশকেও অন্ধকারে রেখে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘বান্দরবানসহ পার্বত্য অঞ্চলের বিদ্যুৎবিহীন এলাকাগুলোকে ধাপে ধাপে বিদ্যুতায়নের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে দুর্গম এলাকাগুলোকে সোলার মাধ্যম ব্যবহার করে বিদ্যুতায়ন করা হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত খামার প্রকল্পের পরিচালক সফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব সাধিত হওয়ায় দেশের সর্বত্র বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজ এগিয়ে চললেও বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলা এখনো বিদ্যুতের সুবিধা বঞ্চিত রয়েছে। গত অর্থ বছরে চিম্বুকে একটি সাব স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এই সাবস্টেশন থেকে রুমা উপজেলায় বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। তবে দেশের অন্যতম পর্যটন সম্ভাবনাময় থানচি উপজেলায় কবে নাগাদ বিদ্যুৎ যাবে-সে তথ্য কেউ দিতে পারছেন না।