দেশসেরা ডেমরার শামসুল হক স্কুল

রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজকে পেছনে ফেলে এবার এসএসসিতে সেরা হয়েছে ডেমরার শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

গত বছরের দেশসেরা রাজউকের অবস্থান দ্বিতীয়। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

শনিবার ফল পেয়েছেন আট শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা।

এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে সম্মিলিত পাসের হার ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা গতবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কম।

জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন, যা গতবার ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ২৭৬।

গত বছরের মতো এবারও দেশসেরা ১০টির মধ্যে ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই ঢাকা বোর্ডের। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লা ও দিনাজপুর বোর্ডের একটি করে প্রতিষ্ঠান দেশসেরা ১০-এ স্থান করে নিয়েছে।

প্রথম স্থান দখল করা শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের মোট পয়েন্ট ৯৭ দশমিক ৮৮।

নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর শতকরা হার, শতকরা পাসের হার, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের গড় জিপিএ- এই পাঁচটি সূচক মূল্যায়ন করে সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা করা হয়।

শামসুল হক খান স্কুল থেকে ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৪০ জন।

৯৬ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫৪৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫৪৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৯৬ জন।

৯৬ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

এই কলেজ থেকে এক হাজার ৫৮১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে এক হাজার ৫৭৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক হাজার ৪১৬ জন।

৯৫ দশমিক ২২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এই প্রতিষ্ঠান থেকে এক হাজার ৫০৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে এক হাজার ৫০১ জন; জিপিএ ৫ পেয়েছে এক হাজার ২৯০ জন।

চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ৯৫ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট পেয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। স্কুলটি থেকে ৪০৩ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭৭ জন।

কুমিল্লা জিলা স্কুল ৯৪ দশমিক ০৯ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। শতভাগ পাস করা ঐতিহ্যবাহী এ স্কুল থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৪০১ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫৩ জন।

সপ্তম স্থান দখল করা রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ পেয়েছে ৯৪ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩৯ জন।

বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৯৩ দশমিক ১৯ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের ৩৪২ জন পরীক্ষা দিয়ে সকলেই পাস করেছে; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২০ জন।

৯৩ দশমিক ২৭ পয়েন্ট নিয়ে সারাদেশে নবম হয়েছে টাঙ্গাইলের বিন্দু বাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়।

৩৭৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩০ জন।

৯২ দশমিক ২৬ পয়েন্ট নিয়ে দেশের মধ্যে দশম স্থানে রয়েছে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। এই স্কুল থেকে ৪১৫ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছে; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪১ জন।