পুঁজিবাজারে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লেনদেন

পুঁজিবাজারে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে মঙ্গলবার, যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪৫২ কোটি টাকার। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। অর্থাত্, মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫০০ কোটি টাকার। লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল জ্বালানি ও ওষুধ খাত। এ দুটি খাতে লেনদেন হয়েছে ১৮৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকার, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪০ শতাংশ।

আইডিএলসির বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে—প্রথম ত্রৈমাসিক শেষে ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক এবং শরিয়াহ সূচক কমেছে ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। এ ত্রৈমাসিকে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল খাদ্য ও পানীয় খাত। এ খাতের শেয়ারগুলোর দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। এ ছাড়া, সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে বিএটিবিসির। এ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। প্রথম ত্রৈমাসিকে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে আর্থিক খাত। সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর দর কমেছে ১৯ শতাংশ, ব্যাংকের শেয়ারের ১২ শতাংশ এবং ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাড়ে ১১ শতাংশ।

তথ্যে দেখা গেছে—মঙ্গলবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২১ বেড়ে ৪ হাজার ৫৩০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১০ বেড়ে ১ হাজার ৭২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৫২ কোটি ৭২ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩১৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের।অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪১ বেড়ে ১৩ হাজার ৮৬৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৪৪টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের দর।