রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে

চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রায় সব দেশ থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

তবে এ সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত ও লিবিয়া ছাড়াও যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও লিবিয়া থেকে রেমিট্যান্স আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। ফলে সার্বিক রেমিট্যান্সের বৃদ্ধির হারও কম।

চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) প্রথম সাত মাস (জুলাই-জানুয়ারি) পর্যন্ত সময়ে প্রবাসীরা ৮৭৩ কোটি চার লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

২০১৩-১৪ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৮০৩ কোটি ২৯ লাখ ডলার।

কয়েকটি দেশের নেতিবাচক রেমিট্যান্সের প্রভাবেই রেমিট্যান্স যেহারে বাড়ার কথা সেভাবে বাড়েনি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

দেশভিত্তিক রেমিট্যান্সের হিসাব অনুযায়ী, কুয়েত থেকে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে ৬২ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল ৬৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। আর লিবিয়া থেকে এ সাত মাসে এসেছে দুই কোটি ৫২ লাখ ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে আসা রেমিট্যান্সের অর্ধেকেরও কম। যুক্তরাজ্য থেকে আগের অর্থবছরের সাত মাসে ৫৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার আসলেও এ অর্থবছরের এর পরিমাণ ৪৫ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। একইভাবে জার্মানী ও ইতালি থেকেও রেমিট্যান্স কমেছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রেমিট্যান্স প্রেরণকারী শীর্ষ দেশ সৌদি আবর থেকে জুলাই থেকে জানুয়ারি সময়ে ১৮৭ কোটি ৪৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এদেশ থেকে ১৭৭ কোটি ৩ লাখ ডলার এসেছিল। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্সের প্রধান যোগানদাতা দেশ সৌদি আরব থেকে মাত্র ১০ কোটি ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

একইভাবে আগের চলতি অর্থবছরের সাত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে যেখানে ১৬৩ কোটি ডলার এসেছে আগের অর্থবছরের একইসময়ে ছিল ১৫১ কোটি মার্কিন ডলার।

একই অবস্থা কাতার ওমান, বাহারাইন, কুয়েত ও লিবিয়ার। আর এ অঞ্চলের দেশ ইরান আগের অর্থবছরে কোন রেমিট্যান্স না আসলেও এ চলতি অর্থবছরের নভেম্বরে ৫০ হাজার ও জানুয়ারিতে ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর থেকে রেমিট্যান্স সামান্য বেড়েছে।