বারোমাসি কাঁঠালের জাত উদ্ভাবন

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর সফল গবেষণার পর বারোমাসি কাঁঠালের একটি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। বারি কাঁঠাল-৩ নামে এ জাতটি গত সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় বীজ বোর্ড থেকে অবমুক্তি পেয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা নাকাপায় সারা বছর ফল দেয়া একটি কাঁঠাল গাছের সন্ধান পাওয়ার পর রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা ২০১১ সাল থেকে এ গাছটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ জুলফিকার আলী ফিরোজের নেতৃত্বে গবেষক দলটি প্রায় তিন বছর গাছটির সার্বিক তত্ত্বাবধান, পরিচর্যা ও জার্মপ্লাজম নির্বাচন করে একটি নতুন জাত উদ্ভাবনে সফল হন। গত বছর এপ্রিল মাসে নতুন উদ্ভাবিত বারমাসি কাঁঠালটি নতুন জাত হিসাবে অবমুক্তির জন্য জাতীয় বীজ বোর্ডে আবেদন করার পর সেপ্টেম্বরে বারি কাঁঠাল-৩ নামে অবমুক্তি পায় এটি।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ জুলফিকার আলী ফিরোজ জানান, জার্মপ্লাজম নির্বাচিত কাঁঠাল গাছটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গত ২০ বছর ধরে গাছটিতে বছরব্যাপী অর্থাত্ সেপ্টেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত ফল দিচ্ছে। তিনি বলেন, সফল গবেষণার পর এখন রামগড় গবেষণা কেন্দ্রে নার্সারিতে নতুন উদ্ভাবিত বারমাসি কাঁঠালের চারা উত্পাদন করা হচ্ছে।