মালদ্বীপে যাবে বাংলাদেশের ওষুধ

আগামীতে মালদ্বীপ থেকে বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজগুলোতে মালদ্বীপের ছাত্র-ছাত্রীরা পড়তে আসবেন। একই সঙ্গে মালদ্বীপে রপ্তানি হবে বাংলাদেশের ওষুধ। আর সেখানকার হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ হবে বাংলাদেশের চিকিৎসক ও নার্স।

মঙ্গলবার দুপুরে হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে এ সর্ম্পকিত একটি চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং মালদ্বীপের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হুসেইন রশিদ এ সই করেন।

গত ৮ এপ্রিল মালদ্বীপ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেন। সফরকালে দুই দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা সংক্রান্ত আলোচনা হয়।

এর মধ্যে উভয় দেশের ডাক্তারদের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, বাংলাদেশের মেডিকেল ও নার্সিং কলেজে মালদ্বীপের ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি এবং বাংলাদেশ হতে ওষুধ আমদানি ও বাংলাদেশ হতে মালদ্বীপে ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয় এবং ওই সময়ই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে স্বিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে এর আগে একই স্থানে ভারতের সঙ্গে সনাতন ওষুধের আদান-প্রদান সম্পর্কিত একটি চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসচিব এম এম নিয়াজউদ্দিন এবং ভারতের সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথি বিভাগের সচিব নীলাঞ্জন সান্যাল চুক্তিতে সই করেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পর্যায়ে মন্ত্রীদের বৈঠক উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত সম্মেলনে এ সই অনুষ্ঠিত হয়।

এই চুক্তির জন্যে সোমবার ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের নেতৃত্বে একটি দল ঢাকায় আসেন।

এই সমঝোতা স্মারক সইয়ের ফলে দুদেশের মধ্যে সব ধরনের প্রথাগত ওষুধের কাচাঁমাল উপকরণ আদান-প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্যে উভয় দেশের আইন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ, দক্ষ চিকিৎসক আদান-প্রদান হবে।

এছাড়াও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার জন্যে বৃত্তি প্রদান এবং একটি একাডেমিক চেয়ার স্থাপনের ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এর আগে দুপুরে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল ও থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা তাদের নিজ নিজ দেশ থেকে ভিসেরাল লেইশম্যানিয়াসি (কালাজ্বর) নির্মূলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছেন।