জাপান চার বছরে দেবে ॥ ৬শ’ কোটি ডলার

০ নিরাপত্তা পরিষদে জাপানকে সমর্থন দিল বাংলাদেশ ০ জাপানকে সমর্থন দেয়ায় বিএনপির বিরোধিতা ০ বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশনের সঙ্গে সাক্ষাত

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে জাপানের সমর্থনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ। অপরদিকে বাংলাদেশকে আগামী ৪-৫ বছরে ৬০০ কোটি ডলার সহায়তা দেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে জাপান। শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর বাংলাদেশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। এছাড়া জাপানী প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে জাপানী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে তার সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে জাপানকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

জাপানকে ছাড় দেয়ার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় জাপানের অব্যাহত এবং বলিষ্ঠ সমর্থনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, এশিয়া ও প্রশান্ত গ্রুপের প্রতি সংহতি ও একাত্মতা জানিয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচনে ২০১৬-১৭ মেয়াদে জাপানের প্রার্থিতা সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধু জাপানের জন্য বাংলাদেশ তার নিজ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছে।

জাতিসংঘের অস্থায়ী পরিষদের সদস্যপদ থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। বিশ্ব শান্তি স্থাপনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে বাংলাদেশকে সব সময় পাশে পাবেন বলেও তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশকে আগামী ৪-৫ বছরে ৬০০ কোটি ডলার সহায়তা দেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন জাপানী প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি দেশ স্থায়ী সদস্য। তারা হলো-যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, চীন ও ফ্রান্স। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য পদে ভোটাভুটি করে সদস্য নির্বাচিত হয়। ২০১১ সালে জাপানও একই গ্রুপ থেকে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে প্রার্থিতার ঘোষণা দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের আলোচনা চলে আসছিল।

যৌথ ঘোষণার পরে শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের হাতে উপহার হিসেবে দেয়া দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবিযুক্ত এ্যালবাম তুলে দেন। এজন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জনগণকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি জাপানের প্রধানমন্ত্রীও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে এ সময় সেদেশের বিশেষ মুদ্রা উপহার-স্মারক হিসেবে তুলে দেন, যে মুদ্রায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি রয়েছে।

শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এ বৈঠক শুরু হয়। গণভবনের শিমুল কনফারেন্স হলে প্রথমে দুই নেতার একান্ত বৈঠক হয়। পরে শুরু হয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। এই বৈঠকে সমন্বিত অংশীদারিত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়াও বিনিয়োগ পরিবেশ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে জাপান যে বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট (বিগ-বি) কর্মসূচী নিয়েছে সে ব্যাপারে কথা হয়।

বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলি কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, রেলমন্ত্রী মজিবুল হকসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন। পাশাপাশি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে দেশটির সফররত উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে শনিবার দুপুরে বিশেষ বিমানযোগে ঢাকা পৌঁছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানী প্রধানমন্ত্রীকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। বিমানবন্দর থেকেই তিনি সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বঙ্গবভনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন। ঢাকায় বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকে যোগ দেন। সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে জাপান ॥ ঢাকায় সফররত জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে জাপানী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে জাপান সরকার। এছাড়া জাপানী বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির তাগিদ দিয়েছেন তিনি। শনিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের সঙ্গে বৈঠকে এ তাগিদ দেন তিনি। জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল এ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের সহযোগিতায় বৈঠকটির আয়োজন করে বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট, এফবিসিসিআই ও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন।

বৈঠকে শিনজো আবে বলেন, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষ বিনিয়োগক্ষেত্র। জাপান এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, তবে বিনিয়োগ বাড়াতে পরিবেশকে আরও ব্যবসাবন্ধব করতে হবে। জাপান বাংলাদেশকে অনেক গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে জাপানী প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলোচনা সাপেক্ষে ৬০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা আরও বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ভূমিকায় দু’দেশের আলোচনার মধ্য দিয়ে আরও উন্নয়ন সম্ভব বলে উল্লেখ করেন জাপানী প্রধানমন্ত্রী।

রওশন এরশাদের সঙ্গে বৈঠক ॥ বাংলাদেশে সফররত জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদের মধ্যে বৈঠক হয়। শনিবার সন্ধ্যায় সোনারগাঁওয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সমন্বিত অংশীদারিত্ব, বিনিয়োগ পরিবেশ ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক ॥ জাপানী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বৈঠক করেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান, রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ এবং দলের সহসভাপতি শমসের মবিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বন্ধুপ্রতিম দেশ জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খালেদা জিয়া দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য পদে জাপানকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের একান্ত দলীয় সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমশের মবিন চৌধুরী। শনিবার সোনারগাঁও হোটেলে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে সাক্ষাত করতে এলে লবিতে বসে তিনি এসব কথা বলেন।

শমশের মবিন চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ কোনভাবেই এ বিষয়ে একক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে হলে বিরোধী দলসহ সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ সুযোগ প্রত্যাহার করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে ঠকানো হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন পরে একটি দেশ এ পদে লড়াই করার সুযোগ পায়। বাংলাদেশ সে সুযোগ পেয়েও আওয়ামী লীগের নিজস্ব সিদ্ধান্তের কারণে বঞ্চিত হতে চলেছে।

আকি আবের নার্সিং কলেজ পরিদর্শন ॥ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) নার্সিং কলেজ পরিদর্শন করেছেন জাপানের ফার্স্ট লেডি আকি আবে। শনিবার বিকেলে তিনি সেখানে পরিদর্শন করেন। ঢাকা নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ নার্সেস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইরা দিবরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। আকি আবের ঢামেক নার্সিং কলেজ পরিদর্শনের পর ইরা দিবরা জানান, জাপানের ফার্স্ট লেডি আকি আবে প্রথমে ঢামেকের নিচতলার ল্যাব পরিদর্শন করেন। এরপর তৃতীয় তলায় শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

জাপানী প্রধামন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ॥ জাপানী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও তাঁর স্ত্রী আকি আবে দু’দিনের সরকারী সফরে ঢাকা এসে পৌঁছলে তাঁদের লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে শিনজো আবে বাংলাদেশ সফরে আসেন।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের সফরসঙ্গীদের বহনকারী একটি বিশেষ বিমান বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিনজো আবে ও তাঁর স্ত্রী আকি আবেকে স্বাগত জানান। এ সময় দু’টি শিশু তাঁদের ফুলের তোড়া উপহার দেয়। তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল শিনজো আবেকে গার্ড অব অনার এবং রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। সুসজ্জিত মঞ্চে শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে আবে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় দুদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত মন্ত্রিসভার সদস্য ও অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে শিনজো আবের পরিচয় করিয়ে দেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রীও তাঁর সফরসঙ্গীদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় করিয়ে দেন। বিমানবন্দরে জাপানী প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম মোশাররফ হোসেন ভূইয়া, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবদুস সোবহান সিকদার, তিন বাহিনী প্রধানগণ, পুলিশের মহাপরিদর্শক, কূটনৈতিক, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ॥ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা শেষে জাপানী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান। তিনি সেখানে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ১৯৭১ সালের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ধানম-ির বত্রিশ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

রবিবারের কর্মসূচী ॥ রবিবার জাপানী প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট পরিদর্শন করবেন। শিনজো আবে ঢাকা সফর শেষে দুপুরে কলম্বোর উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। তিনি ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বের কলম্বো সফর করবেন। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহেন্দ্র রাজাপাকসের আমন্ত্রণে তিনি শ্রীলঙ্কা যাচ্ছেন।