রিজার্ভে রেকর্ড দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরেই বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভে রেকর্ড হয়েছে। বৃহস্পতিবার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ২০৫ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কাজী ছাইদুর রহমান জানান, রেকর্ড রেমিট্যান্স, রফতানি আয়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধিসহ নানা কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। বর্তমান এ রিজার্ভ দিয়ে ৭ মাসের আমদানি দায় মেটানো সম্ভব।

তিনি জানান, এর আগে গত ১৬ জুন রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ২১শ’ কোটি ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। আর ১০ এপ্রিল রিজার্ভ ২ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস গত জুলাইতে প্রবাসীরা মোট ১৪৮ কোটি ২০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে যা সর্বোচ্চ। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ ১৪৫ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল ২০১২ সালের অক্টোবরে।

রেমিট্যান্সের এই উচ্চপ্রবাহ রিজার্ভ বাড়াতে সহায়তা করেছে। অবশ্য বেশ কয়েক বছর পর গত অর্থবছর ২৩ কোটি ডলার বা ১ দশমিক ৬১ শতাংশ রেমিট্যান্স কম এসেছিল। তবে আমদানিতে খুব একটা প্রবৃদ্ধি না থাকলেও রফতানি আয় বাড়ছে। এছাড়া বেসরকারি খাতে বর্তমানে ৯শ’ কোটি ডলারের মতো ঋণ রয়েছে। সব মিলিয়ে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

বাংলাদেশের এই রিজার্ভ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রথম অবস্থানে থাকা ভারতের বর্তমান রিজার্ভ রয়েছে ৩১৩ কোটি ডলার। আর তৃতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের রিজার্ভ রয়েছে ১৩শ’ কোটি ডলারের কিছু বেশি।