৬ বছরে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় ২০ হাজার কোটি টাকা

বর্তমান প্রতিবেদক
হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করে গত ছয় বছরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। গত অর্থ বছরে আয়ের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা। এছাড়া দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হরতাল অবরোধসহ রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে দুই মাসে মত্স্য খাতে খামার মালিকদের ক্ষতি হয়েছে অন্তত এক হাজার কোটি টাকা।
গতকাল সোমবার বাণিজ্যিক মত্স্য খামার মালিকদের সংগঠন ফিস ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ফোয়াব) আয়োজিত সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেছেন, চিংড়ি খামারিদের এ খাতে বিনিয়োগে উত্সাহিত করতে সহজ শর্তে ঋণ দেয়া হবে। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত মত্স্য সেক্টরে রপ্তানি বাড়াতে বিশেষ করে চিংড়ির উত্পাদন বাড়াতে সরকার খামার মালিকদের সহজশর্তে ঋণ প্রদানসহ সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ মত্স্য রপ্তানিতে পৃথিবীর ৫ম স্থান। দেশের মত্স্য উত্পাদন বাড়িয়ে রপ্তানিতে এই  অবস্থানের উন্নতি করা হবে। সেমিনারে “বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাণিজ্যিক মত্স্য চাষের গুরুত্ব” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফোয়াবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ এবং “খাদ্য হিসেবে মাছের বহুবিদ ব্যবহার” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নির্বাহী সদস্য ড. বায়োজিদ মোড়ল। ফোয়াবের সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান শাহীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. শেলিনা আফরোজা, মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ, এফবিসিসিআইএর সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও ফোয়াবের উপদেষ্টা আলহাজ রফিকুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক নিখিল ভদ্র ও অর্থ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম। সেমিনারের প্রবন্ধে জানানে হয় ১৯৯২-৯৩ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি খাতে আয় ছিল মাত্র ৬০৪ কোটি টাকা। তখন উত্পাদন হতো ১৯ হাজার ২২৪ মেট্রিক টন চিংড়ি। আর ২২ বছরের ব্যবধানে উত্পাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ৩৪১ মেট্রিন টন। এর মাধ্যমে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে বাণিজ্