বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে

জাপান বাংলাদেশ বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে উল্লেখ করে তানাকা বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার এলাকায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা, গ্রামীণ উন্নয়ন, মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপানের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট  (Matarbari Ultra Super Critical Coal-Fired Power Project) বাস্তবায়নে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে জাইকা প্রেসিডেন্ট  বলেন, এক্ষেত্রে সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান প্রনয়ণের জন্য বাংলাদেশ ও জাপান সরকার ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে।
সভাপতির বক্তব্যে আরেফিন সিদ্দিক বলেন, রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর জাপান অন্যতম প্রথম দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করে। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রধান উন্নয়ন সহযোগী দেশ তারা। সাম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরকালে দু’দেশের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।’
এসময় বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের জাপানে উচ্চশিক্ষা বৃত্তি প্রদান এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য মানবসম্পদ উন্নয়ন বৃত্তি প্রদানের আশ্বাস দেয়ায় উপাচার্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে  প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, গার্মেন্টস শিল্পের প্রসার এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পায়ন নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশ দ্রুত দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আকিহিকো তানাকা।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে “JICA’s Strategy: Bengal Bay Industrial Growth Belt (BIG-B) & Beyond” শীর্ষক এক বক্ততায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ,  জাপান স্টাডি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত এবং সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ প্রমুখ।
আকিহিকো তানাকা বলেন, ‘প্রস্তাবিত বিগ্-বি (Bay of Bengal Industrial Growth Belt’ প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশ শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এশিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানী খাত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটবে। ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া তথা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বড় ভূমিকা পালন করতে পারবে।’
তবে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে জ্বালানী খাতের উন্নয়ন, কার্যকর ও যুগোপযোগী কৌশল নির্ধারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে উল্লেখ করেন তিনি।

জাপান বাংলাদেশ বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে উল্লেখ করে তানাকা বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার এলাকায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা, গ্রামীণ উন্নয়ন, মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপানের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট  (Matarbari Ultra Super Critical Coal-Fired Power Project) বাস্তবায়নে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে জাইকা প্রেসিডেন্ট  বলেন, এক্ষেত্রে সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান প্রনয়ণের জন্য বাংলাদেশ ও জাপান সরকার ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে আরেফিন সিদ্দিক বলেন, রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর জাপান অন্যতম প্রথম দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করে। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রধান উন্নয়ন সহযোগী দেশ তারা। সাম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরকালে দু’দেশের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।’
এসময় বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের জাপানে উচ্চশিক্ষা বৃত্তি প্রদান এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য মানবসম্পদ উন্নয়ন বৃত্তি প্রদানের আশ্বাস দেয়ায় উপাচার্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে  প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র