পমেটোর উদ্ভাবন

দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে অল্প জমিতে অধিক ফসল ফলানো জরুরি হয়ে পড়েছে- তা বলাই বাহুল্য।। আশার কথা, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষিবিজ্ঞানীরা নিরন্তর গবেষণা করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ধানসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্যের অধিক ফলনশীল জাত আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যে কোনো শস্য বা উদ্ভিদের নতুন জাত আবিষ্কারের কাজটি অনেকটাই জটিল। শস্য বা উদ্ভিদের নতুন জাত আবিষ্কারের ক্ষেত্রে জিন পর্যায়ে পরিবর্তন আনা হয়। এর বাইরে জোড়কলম পদ্ধতিতেও নতুন জাত আবিষ্কারের চেষ্টা করা হয়। গতকাল যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) গবেষকরা আলুর (পটেটো) সঙ্গে টমেটোর চারার গ্রাফটিংয়ের (জোড়কলম) মাধ্যমে নতুন এক জাতের গাছ আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন, যার কাণ্ডে থাকবে টমেটো আর শেকড়ে থাকবে আলু। বিএডিসির গবেষকরা এর নাম দিয়েছেন পমেটো। বিএডিসির অধীন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সৈয়দপুর উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্রে পমেটোর বাম্পার ফলন দেশের কৃষি গবেষকদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা মনে করি, অন্যান্য ফসলের ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতির প্রয়োগে কী ফল মিলে, এ নিয়ে গবেষণা হওয়া দরকার।

অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টিসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় ধান, গমসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্যের এমন নতুন জাত আবিষ্কার করা

টমেটো+পটেটো=পমেটো!

কুমিল্লায় বিএডিসি’র গবেষনায় ‘পমেটো’র ফলনে বিস্ময়কর সাফল্য