কাজীপুরে বাদামের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

কাজীপুরের যমুনা বক্ষে অভূতপূর্ব দৃশ্য। সবুজের সমারোহে ঢেকে গেছে বিস্তৃত চরাঞ্চল। জেগে ওঠা ছোট-বড় চরে চলতি মওসুমে ৬১০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে চিনাবাদাম। উত্পাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৮০ টন। জমিতে বাদামের বীজ লাগানোর পর বাদাম গাছ ধীরে ধীরে পরিপুষ্ট হয়ে ওঠে। এখন পরিপক্ক হয়ে উঠেছে। জমি থেকে বাদাম তুলতে শুরু করেছে কৃষকরা। বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবার বাদাম চাষ করতে কোন সার প্রয়োগ করেনি কৃষকরা। বিনা সারে বাদামের আবাদ করে কৃষকরা খুশী। উপজেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত যমুনার চরে এ বছর বাদাম চাষ করেছেন সহস্রাধিক ক্ষুদ্র চাষি। বাদাম ছাড়াও ভুট্টা, গম এবং কালী বোরো ধানের আবাদ করেছে কৃষকরা।
যমুনার বুকে জেগে ওঠা নাটুয়ারপাড়া, ঘোড়াগাছা, রেহাইশুড়িবেড়, পানাগাড়ী, তেকানী, খাসরাজবাড়ী, যুক্তিগাছা, রাজবাড়ী, চরজগন্নাথপুর, উত্তর ছালাল, ভেটুয়া জগন্নাথপুর, তারাকান্দি, ভাটিমেওয়াখোলা, ফুলজোড়, গোয়াল বাথান, বাঁশজান, মাজনাবাড়ী, শালগ্রাম, চরগিরিশ, নিশ্চিন্তপুর, শুভগাছাসহ ছোট-বড় ৩০টি চরের ৬১০ হেক্টর জমিতে চীনাবাদাম চাষ হয়েছে। কাজীপুর কৃষি কর্মকর্তা সন্তোষ চন্দ্র চন্দ জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় এ বছর বাদামের দানা পুষ্ট হয়েছে। এ বছর চীনাবাদাম গাছে তেমন কোনো রোগবালাইয়ের আক্রমণ নেই। ফলে এ অঞ্চলে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে।

কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা