বিশ্বরেকর্ড করল বাংলাদেশ

লাখো কণ্ঠে গাওয়া বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রেকর্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার গিনেস বুক এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়। গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে লাখো কণ্ঠে গাওয়া হয়, ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’। সেই দিন সমবেত হয়েছিল লাখো বাঙালি। তাদের সঙ্গে সারা দেশের অসংখ্য বাঙালি কণ্ঠ ছেড়ে গেয়েছে জাতীয় সঙ্গীত। ১৩ দিন পর তারই স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ।
লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার এই উদ্যোগটি ছিল সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের। বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। ওই দিন জাতীয় প্যারেড ময়দানে ঢোকার সময় স্বয়ংক্রিয় যান্ত্রিক গণনা অনুসারে লোক হয়েছিল দুই লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন। এতেই গত বছরের ৬ মে সাহারা গ্রুপের আয়োজনে এক লাখ ২২ হাজার লোকের একসঙ্গে জাতীয় সংগীত গাওয়ার ভারতের রেকর্ডটি ভেঙে নতুন বিশ্বরেকর্ড হয়। মঙ্গলবার সেটির চূড়ান্ত ফল জানিয়ে দেয় গিনেসবুকঅবওয়ার্ল্ডরেকর্ডস।(http://www.guinnessworldrecords.com/news/2014/4/gwr-statement-most-people-singing-a-nationalregional-anthem-simultaneously-56610/)|২৬মার্চ বুধবার স্বাধীনতা দিবসে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে একসুরে দুই লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ কণ্ঠ গেয়ে ওঠে আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
প্রসঙ্গত, লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে ৪৪তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বুধবার বাংলাদেশ উঠে নতুন এক মর্যাদার উচ্চশিখরে। ঘড়ির কাঁটায় সকাল ১১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁও জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হল, ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…। বাংলাদেশ আর বাংলাদেশিদের প্রাণের এ সুর ছড়িয়ে পড়ল প্যারেড গ্রাউন্ডের বাইরেও, সমগ্র বাংলাদেশে। পুরো পৃথিবীজুড়ে যেখানে যতো বাংলাদেশি বাঙালি রয়েছেন- তারাও কণ্ঠ মেলালেন লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দেশের আমাদের প্রাণপ্রিয় জাতীয় সংগীতে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জাতীয় সংগীতের সাথে সুর মেলান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।