৫ মাসে রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ১৮ শতাংশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সহিংস রাজনৈতিক অবস্থার মধ্যেও শক্ত অবস্থানে রয়েছে দেশের রফতানি খাত। চলতি অর্থবছরের ৫ মাসে রফতানি আয় হয়েছে ১ হাজার ১৯৫ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এ হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ শতাংশের বেশি। একক মাস হিসাবে নবেম্বরে রফতানির পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ শতাংশ বেড়েছে। আর মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫ শতাংশেরও বেশি। হরতাল-অবরোধ তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যেও এ আয় সন্তোষজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইপিবি সূত্র জানায়, চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসের (জুলাই-নবেম্বর) দেশের মোট রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯৫ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলার। যা মোট রফতানি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮২ কোটি ৬০ লাখ ডলার বেশি। এ সময়ে সার্বিকভাবে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ০২ শতাংশ। শুধু তাই নয়, প্রধান দুই রফতানি পণ্যের একটি নিট পোশাক খাতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে ২০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আর ওভেন পোশাক খাতে লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২১ শতাংশ।
প্রাপ্ত তথ্য বিশেষনে দেখা যায়, একক মাস হিসেবে নবেম্বরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি পণ্য রফতানি হয়েছে। নবেম্বরে রফতানি আয় হয়েছে ২২১ কোটি ২৪ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ০৫ শতাংশ বেশি। এ মাসে সার্বিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার। আর এ সময়ে প্রবৃদ্ধির হার হচ্ছে ২৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ৫ মাসে রফতানি আয়ের শীর্ষে রয়েছে নিট পোশাক খাত। লক্ষ্যমাত্রা পূরণের কাছাকাছি গিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওভেন পোশাক খাত। নিট পোশাক খাতে আয় হয়েছে ৪৮৯ কোটি ৯৮ লাখ ডলার। এখাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৪১ কোটি ডলার। বেশি রফতানি হয়েছে ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। সে সময় রফতানি আয় ছিল প্রায় ৪০৬ কোটি ডলার। ওভেন পোশাকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ কম রফতানি হয়েছে। ৪৭৯ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ৪৭৫ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। তবে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২১ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময় ওভেনে আয় ছিল ৩৯২ কোটি ডলার। রফতানি আয়ের অন্য খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।  সূত্র