বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে

যাযাদি রিপোর্ট

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে। তৈরি পোশাক, ফ্রিজ ও টিভি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, ওষুধ, সিরামিকস এবং অটোমোবাইল পণ্যের প্রতি বিদেশিদের আগ্রহ ক্রমেই বেড়ে চলছে। এতে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে অন্যদিকে বিশ্ব রপ্তানির বাজারে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ছে।
জানা গেছে, সেপ্টেম্বরে দুবাইতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ব্র্যান্ড এবং লিডারশিপ সম্মেলনে এশিয়ার ২০০টি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মধ্যে ওয়ালটন মোটরসাইকেল, বেক্সিমকো ফার্মা, শাইনপুকুর সিরামিকস সর্বাপেক্ষা প্রতিশ্রুতিশীল ব্র্যান্ড হিসেবে নির্বাচিত হয়। বিদেশিরা বাংলাদেশের এসব পণ্যের প্রতি বেশ আগ্রহ দেখায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের উচিত দেশটির প্রতিশ্রুতিশীল পণ্য যেমন, তৈরি পোশাক, ফ্রিজ ও টিভির মতো ইলেকট্রনিক্স পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, ওষুধ, সিরামিকস এবং অটোমোবাইল পণ্যগুলোর ব্র্যান্ডিং এর প্রতি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মনোনিবেশ করা উচিত। যাতে করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুততর হয়। এ প্রসঙ্গে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই স্বীকৃতি একটি শুভ লক্ষণ। এটি অবশ্যই স্থানীয়ভাবে প্রস্তুতকৃত পণ্য ও দেশের ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তারা বাংলাদেশের যে কয়েকটি পণ্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে তা অত্যন্ত ইতিবাচক দিক।
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, এই স্বীকৃতির মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে, আমরা শেষ্ঠত্ব অর্জনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি অবশ্যই বেক্সিমকো ফার্মাকে আরো বেশি করে বিশ্ববাসীর দোরগোড়ায় পেঁৗছতে সহায়তা করবে।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম বলেন, নিঃসন্দেহে এটি দেশের অটোমোবাইল শিল্পের জন্য একটা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তিনি এই স্বীকৃতিকে তার কোম্পানির জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এর মধ্যে দিয়ে ওয়ালটন বহুদূর এগিয়ে যাবে।
আশরাফুল আলম বলেন, এমন একটি সময়ে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে যখন বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি দেশের অন্যান্য উৎপাদনমুখী শিল্পকেও উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি এটি বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি আরো বলেন, অটোমোবাইল ইলেকট্রনিক্স এবং গৃহস্থালী পণ্য দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।