চলনবিলের ৬০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

চলনবিলের ৬০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের
প্রতিনিধি, সিংড়া (নাটোর)
সম্প্র্রতি কয়েক দফা ডিজেল, বিদ্যুৎ, সার ও কীটনাশকের মূল্য বৃদ্ধি এবং বোরো ধানের নায্য মূল্য না পাওয়ায় চলনবিলের চাষিরা বোরো ধান চাষের বিপরীতে তরমুজ চাষ শুরু করেছে। তরমুজ অর্থকরী ফসল হওয়ায় কৃষকদের দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। চলতি বছরে তরমুজের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। কৃষি অফিস সূত্রে ও তরমুজ চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি বছরে চলনবিল অঞ্চলে ৫৭১ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। শস্যভা-ারখ্যাত চলনবিলের কৃষকরা গত বছর থেকে তরমুজ চাষে ঝুঁকে পড়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে আর ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা মুনাফা অর্জনের আশা করছেন চাষিরা। চলতি বছরে সিংড়া উপজেলার রামানন্দ খাজুরা, সোয়াইড়, কৈগ্রাম, জামতলী, ডাহিয়া, বাঁশবাড়িয়া, বিয়াস, বিলদহর ও চলনবিলের গুরুদাসপুর, তাড়াশসহ বিভিন্ন এলাকায় তরমুজ আবাদ হয়েছে। এবার চলনবিলে পোকার আক্রমণ কম হওয়ায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনার আশা করছে কৃষকরা। উপজেলার সোয়াইড় গ্রামের কৃষক আবদুস সালাম ও জামাল জানান, খাজুরা ইউনিয়নে চলতি বছরে প্রায় ১০০ বিঘায় তরমুজ চাষ হয়েছে। অধিক মুনাফা অর্জনের আশায় তারা তরমুজ চাষ করছেন। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে এই এলাকায় তরমুজ তোলা শুরু হবে। তাছাড়া এই অঞ্চলের তরমুজ খুবই সুস্বাদু হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সুনাম রয়েছে বলে জানান তারা। 

সিংড়া উপজেলা কৃষি অফিসার সুব্রত কুমার সরকার জানান, গত বছরের তুলনায় এবার বেশি জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। অধিক মুনাফার কারণে কৃষকের তরমুজ চাষে দিন দিন আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।