“বিনাধান-৭ চাষ করে আকাল জয় করা সম্ভব”

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বড়দাদপুর এলাকার একটি বিনা ধান ক্ষেতে মাঠ দিবস পালিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহা পরিচালক ড.এম এ সাত্তার বলেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনা ধান-৭ চাষ করে অভাবি সময়ে সংকট মোকাবেলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। শুধু এই জেলাই নয় উত্তরাঞ্চলের কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের বেকারত্ব মোকাবেলায় বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচন করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত বিনাধান-৭। এবার এ অঞ্চলে সাড়ে ৮১হাজার হেক্টর জমিতে এই জাতের ধান আবাদ করে সফলতা লাভ করেছেন কৃষকরা। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ অঞ্চলের ৩লাখ হেক্টর জমিতে এই ধান উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে আশ্বিন- কার্তিকের মঙ্গা মোকাবেলায় এই ধান বিরাট ভূমিকা রাখবে। বিনা ধান এই অঞ্চলের সার্বিক অর্থনীতিতে আনবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুন্ন করে তুলবে বলে আশা করা যায়। আজ রোববার গোমস্তাপুর উপজেলার একটি বিনা ধান ক্ষেত পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

এ উপলক্ষে “চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বরেন্দ্র এলাকায় পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শস্য উৎপাদন ও শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ” শীর্ষক এক আলোচনা সভা পারবর্তীপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম গোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ড.আজগর সরকার সিএসও আরসি, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ, ড.রইসুল হায়দার,বিভাগীয় প্রধান টিসিপি বিভাগ,বিনা,মো: আশিকুর রহমান,এসও,বিনা.জুলকার নাঈন,এসও,বিনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মোস্তাফা কামাল হোসেন, কৃষক টিপু সুলতান প্রমুখ। 

বক্তাগণ বলেন, বিনা ধান-৭ প্রতি একরে ৫০ থেকে ৫৫ মন ফলন পাওয়া যায়। এ ছাড়া কৃষকরা এ ধান কেটে আলু, শরিষা, মশুর, ছোলাসহ  আগাম রবি শস্য আবাদ করতে পারেন। এই রবি শস্য আবাদ করার ফলে মাটির উর্বরতাও বৃদ্ধি পায়। অতি সহজেই একই জমিতে তিনটি ফসল করা যাবে। যা দেশের অর্থনিতিতে বিরাট ভুমিকা রাখবে।

বিনার সিএসও ড. আসগর সরকার বলেন ,জলবায়ুর পরিবর্তনের সুনিদিষ্ট প্রভাবেই সামপ্রতিক সময়ে অতিবৃষ্টি,অনাবৃষ্টি, অসময়ে বন্যা, ঘুর্ণিঝড়,জলোচ্ছাস,নিম্নচাপ,খরা,উপকুলীয় এলায় লবণাক্তাতা বৃদ্ধিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের হচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিরাট চ্যালেঞ্জ হিসাবে দাঁড়িয়েছে। এসব দুর্যোগমুক্ত মুক্ত সময়ে  শস্য বহুমুখীকরণ ও ফসলের নিবিড়তা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই । আর এ জন্য  বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিনা) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বড়দাদপুর এলাকার একটি বিনা ধান ক্ষেতে মাঠ দিবস পালিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহা পরিচালক ড.এম এ সাত্তার বলেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনা ধান-৭ চাষ করে অভাবি সময়ে সংকট মোকাবেলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। শুধু এই জেলাই নয় উত্তরাঞ্চলের কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের বেকারত্ব মোকাবেলায় বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচন করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত বিনাধান-৭। এবার এ অঞ্চলে সাড়ে ৮১হাজার হেক্টর জমিতে এই জাতের ধান আবাদ করে সফলতা লাভ করেছেন কৃষকরা। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ অঞ্চলের ৩লাখ হেক্টর জমিতে এই ধান উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে আশ্বিন- কার্তিকের মঙ্গা মোকাবেলায় এই ধান বিরাট ভূমিকা রাখবে। বিনা ধান এই অঞ্চলের সার্বিক অর্থনীতিতে আনবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুন্ন করে তুলবে বলে আশা করা যায়। আজ রোববার গোমস্তাপুর উপজেলার একটি বিনা ধান ক্ষেত পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ উপলক্ষে “চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বরেন্দ্র এলাকায় পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শস্য উৎপাদন ও শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ” শীর্ষক এক আলোচনা সভা পারবর্তীপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম গোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ড.আজগর সরকার সিএসও আরসি, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ, ড.রইসুল হায়দার,বিভাগীয় প্রধান টিসিপি বিভাগ,বিনা,মো: আশিকুর রহমান,এসও,বিনা.জুলকার নাঈন,এসও,বিনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মোস্তাফা কামাল হোসেন, কৃষক টিপু সুলতান প্রমুখ। 
বক্তাগণ বলেন, বিনা ধান-৭ প্রতি একরে ৫০ থেকে ৫৫ মন ফলন পাওয়া যায়। এ ছাড়া কৃষকরা এ ধান কেটে আলু, শরিষা, মশুর, ছোলাসহ  আগাম রবি শস্য আবাদ করতে পারেন। এই রবি শস্য আবাদ করার ফলে মাটির উর্বরতাও বৃদ্ধি পায়। অতি সহজেই একই জমিতে তিনটি ফসল করা যাবে। যা দেশের অর্থনিতিতে বিরাট ভুমিকা রাখবে।
বিনার সিএসও ড. আসগর সরকার বলেন ,জলবায়ুর পরিবর্তনের সুনিদিষ্ট প্রভাবেই সামপ্রতিক সময়ে অতিবৃষ্টি,অনাবৃষ্টি, অসময়ে বন্যা, ঘুর্ণিঝড়,জলোচ্ছাস,নিম্নচাপ,খরা,উপকুলীয় এলায় লবণাক্তাতা বৃদ্ধিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের হচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিরাট চ্যালেঞ্জ হিসাবে দাঁড়িয়েছে। এসব দুর্যোগমুক্ত মুক্ত সময়ে  শস্য বহুমুখীকরণ ও ফসলের নিবিড়তা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই । আর এ জন্য  বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিনা) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।