১৮ দেশে রপ্তানি হচ্ছে কাঁকড়া

দক্ষিণাঞ্চলের উৎপাদিত কাঁকড়া বিশ্বের ১৮টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে জানা গেছে। এ থেকে আয় হচ্ছে কয়েক লাখ ডলার। কাঁকড়া উৎপাদন থেকে শুরু করে রপ্তানি পর্যন্ত এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার আশাশুনি, দেবহাটা, শ্যামনগর, বাগেরহাটের রামপাল, মংলা, খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপ উপজেলায় কাঁকড়া চাষ বেড়েছে। চিংড়িতে লোকসান হওয়ায় অনেক চাষী বিকল্প হিসেবে কাঁকড়া চাষ করছেন। চিংড়ি ঘেরের পাশেই খ- খ- জমিতে কাঁকড়া চাষ হচ্ছে। কাঁকড়ার খামারে প্রতিদিন খাবার দেয়ার প্রয়োজন হয় না। সে কারণেই কাঁকড়ার উৎপাদন খরচ কম। পাশাপাশি এ অঞ্চলের কাঁকড়ার চাহিদা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৃদ্ধি পেয়েছে। তার দেয়া তথ্যমতে, চীন, হংকং, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, সুইজারল্যান্ড, ইউনাইটেড কিংডম, জাপান, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ইজিপ্ট ও ইউনাইডে স্টেটসে এ অঞ্চলের কাঁকড়া রপ্তানি হচ্ছে। সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে চীন, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও থাইল্যান্ডে ২৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮০৯ ডলার মূল্যের কাঁকড়া রপ্তানি হয়েছে। গত অর্থবছরে এসব দেশে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৯ হজার ৮৩৪ ডলার এবং ২০১০-১১ অর্থবছরে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার ৪০৯ ডলার মূল্যের কাঁকড়া রপ্তানি হয়। কাঁকড়া চাষীরা জানান, সামপ্রতিক সময়ে চিংড়ি চাষে নানা সমস্যার কারণে অনেকে কাঁকড়া চাষে ঝুঁকছেন। তবে কাঁকড়া চাষে সরকারি- বেসরকারি পর্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা পেলে এর উৎপাদন আরো বাড়বে। কাঁকড়া প্রজননে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলে এটির উৎপাদন বাড়বে বলে তারা মনে করেন।