গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা কুমিল্লার শ্রীকাইলে

কুমিল্লার শ্রীকাইলে নতুন একটি অনুসন্ধান কূপে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) এই খনন প্রকল্পের পরিচালক ইউসুফ হারুন।

তিনি শনিবার বলেন, কূপের খনন কাজ শেষ হয়েছে শুক্রবার। ৩২১৪ মিটার পর্যন্ত খনন শেষে এখন লগিং (গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত) এর কাজ চলছে। রোববার এ কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন।

লগিং কওে সেখানে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা মিলেছে বলে জানান ইউসুফ হারুন। গত মাসের প্রথম সপ্তাহে এ কূপের খনন কাজ শুরু হয়।
২০০৪

সালে শ্রীকাইলে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সেখানে গ্যাস মেলেনি। তবে ওই স্ট্রাকচারের পাশে নতুন স্থানে প্রায় ১৫০ লাইন কিলোমিটার দ্বি-মাত্রিক ভূতাত্তি্বক জরিপের চালানো হলে সেখানে গ্যাস প্রাপ্তির আশা করা হয়। ওই স্ট্রাকচারেই এখন অনুসন্ধান কাজ চলছে।
শ্রীকাইল তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮১ কোটি ১২ লাখ টাকা।
১৫ বছর পর ২০১১ সালের ২৮ আগস্ট নোয়াখালীর সুন্দলপুরে নতুন একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে বাপেক্স। বর্তমানে ওই ক্ষেত্র থেকে দৈনিক গড়ে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

এছাড়া শিগগিরই সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনায় সুনেত্র স্ট্রাকচারে অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু করবে বাপেক্স। এর আগে এই স্ট্রাকচারে প্রায় ৬০০ লাইন কিলোমিটার দ্বি-মাত্রিক ভূতাত্তি্বক জরিপ চালানো হয় এবং সেখানে গ্যাসের বড় ধরনের মজুদ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত তিনটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাপেক্স।
১৯৯৫ সালে ভোলার শাহবাজপুরে প্রথম, ১৯৯৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সালদায় দ্বিতীয়, গত বছরের ২৮ আগস্টে সুন্দলপুরে তৃতীয় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে প্রতিষ্ঠানটি।