দেশে ২০১৬ সাল নাগাদ আন্তর্জাতিক হোটেল-সেবা বেশ বাড়বে

আগামী ২০১৬ সালের মধ্যে ১১টি আন্তর্জাতিক হোটেল চেইনের ব্যবস্থাপনায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে এক হাজার ৭০০টি উন্নত মানের হোটেল রুম তৈরি হবে।
রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল শনিবার ‘বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্প’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনায় এ তথ্য জানানো হয়। ভ্রমণবিষয়ক পাক্ষিক দ্য বাংলাদেশ মনিটর এই আলোচনার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান। বাংলাদেশ মনিটর সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন।
দেশের আতিথেয়তা শিল্পে জড়িত উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের মহাব্যবস্থাপক ই জে ম্যাকইভান, বাংলাদেশ মনিটর-এর প্রধান সম্পাদক রাকিব সিদ্দিকী, ওশান প্যারাডাইজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এন করিম, অরুনিমা গলফ রিসোর্টের চেয়ারম্যান খবিরউদ্দিন আহমেদ, হোটেল সি ক্রাউনের চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক, প্রাসাদ প্যারাডাইজ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান সৈয়দ এনামুল করিম, ওয়েস্টিন ঢাকার এমডি মোহা. নূর আলী ও মহাব্যবস্থাপক আজিম শাহ, হোটেল আগ্রাবাদের এমডি মো. আবদুল হাকিম, লং বিচ হোটেলের এমডি আবুল কালাম আজাদ, পাকশী রিসোর্টের চেয়ারম্যান মো. আকরাম আলী, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান খান প্রমুখ।বাংলাদেশ মনিটর-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 
অনুষ্ঠানে বক্তারা আতিথেয়তা শিল্পে বেসরকারি বিনিয়োগকে সঠিক লক্ষ্যে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সরকারি নীতিকাঠামো প্রণয়নের আহ্বান জানান।
রাকিব সিদ্দিকী জানান, হোটেল নির্মাণে সরকারি বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই। পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে সরকারের দায়িত্ব ব্যাপক। দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত সরকার তার দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।