গত অর্থবছরে আগের অর্থ বছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণেরও বেশি লাভ করেছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি)।

বিপিসির জনসংযোগ বিভাগের ব্যবস্থাপক পারভেজ আলম চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ২০১১-১২ অর্থবছরে বিপিসির মোট লাভ হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। গত অর্থবছরে (২০১০-১১) লাভ হয়েছিল প্রায় ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

বিপিসির অর্থ ও হিসাব বিভাগের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপিসির মোট ৪৬টি বাণিজ্যিক ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে ২১টি ইউনিট বেসরকারি খাতে ইজারা দেওয়া আছে।

নিজস্ব ২৪টি বাণিজ্যিক ইউনিট থেকে মোট আয়ের পরিমাণ ৬০ কোটি ৯৬ লাখ ২ হাজার টাকা। লাভ হয়েছে ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এ ইউনিটগুলোর মধ্যে ১৬টিতে লাভ এবং ৮টিতে লোকসান হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে বিপিসি পরিচালিত ডিউটি ফ্রি অপারেশন্স থেকে। এই ইউনিট থেকে মোট আয়ের পরিমাণ ২৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা এবং মোট লাভের পরিমাণ ৭ কোটি ৭০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।

হোটেল-মোটেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে ঢাকার হোটেল অবকাশ থেকে। এ হোটেল থেকে লাভ হয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

সবচেয়ে বেশি লোকসান হয়েছে কুয়াকাটার পর্যটন হলিডে হোমসে। সেখানে লোকসানের পরিমাণ ১ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, ইজারা দেওয়া ২১টি ইউনিটের সবগুলোতেই লাভের মুখে রয়েছে। এসব ইউনিটে মোট আয়ের পরিমাণ ৩ কোটি ৬২ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং লাভ হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

ইজারা দেয়া ইউনিটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে কক্সবাজারের মোটেল লাবনীতে। এই ইউনিটে আয় হয়েছে ৭৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা এবং মোট লাভের পরিমাণ ৬৭ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

নিজস্ব ও ইজারা দেওয়া সব ইউনিট মিলে মোট আয়ের পরিমাণ ৬৪ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। পরিচালনা ব্যয়, অবচয়, মোট ব্যয় শেষে মোট লাভের পরিমাণ ৬ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার টাকা বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিপিসির ব্যবস্থাপক পারভেজ আলম চৌধুরী বলেন, “দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বৃদ্ধির কারণে পর্যটন কর্পোরেশন বর্তমানে লাভের মধ্যে রয়েছে। গ্রাহক সেবার উৎকর্ষতা বৃদ্ধির কারণে সংস্থাটি এগিয়ে চলেছে।” \ঢাকা, জুলাই ০৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-বেসরকারি খাতে ইজারা দেওয়া আছে।

নিজস্ব ২৪টি বাণিজ্যিক ইউনিট থেকে মোট আয়ের পরিমাণ ৬০ কোটি ৯৬ লাখ ২ হাজার টাকা। লাভ হয়েছে ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এ ইউনিটগুলোর মধ্যে ১৬টিতে লাভ এবং ৮টিতে লোকসান হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে বিপিসি পরিচালিত ডিউটি ফ্রি অপারেশন্স থেকে। এই ইউনিট থেকে মোট আয়ের পরিমাণ ২৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা এবং মোট লাভের পরিমাণ ৭ কোটি ৭০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।

হোটেল-মোটেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে ঢাকার হোটেল অবকাশ থেকে। এ হোটেল থেকে লাভ হয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

সবচেয়ে বেশি লোকসান হয়েছে কুয়াকাটার পর্যটন হলিডে হোমসে। সেখানে লোকসানের পরিমাণ ১ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, ইজারা দেওয়া ২১টি ইউনিটের সবগুলোতেই লাভের মুখে রয়েছে। এসব ইউনিটে মোট আয়ের পরিমাণ ৩ কোটি ৬২ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং লাভ হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

ইজারা দেয়া ইউনিটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে কক্সবাজারের মোটেল লাবনীতে। এই ইউনিটে আয় হয়েছে ৭৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা এবং মোট লাভের পরিমাণ ৬৭ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

নিজস্ব ও ইজারা দেওয়া সব ইউনিট মিলে মোট আয়ের পরিমাণ ৬৪ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। পরিচালনা ব্যয়, অবচয়, মোট ব্যয় শেষে মোট লাভের পরিমাণ ৬ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার টাকা বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিপিসির ব্যবস্থাপক পারভেজ আলম চৌধুরী বলেন, “দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বৃদ্ধির কারণে পর্যটন কর্পোরেশন বর্তমানে লাভের মধ্যে রয়েছে। গ্রাহক সেবার উৎকর্ষতা বৃদ্ধির কারণে সংস্থাটি এগিয়ে চলেছে।”