লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২২৬ কোটি টাকা বেশি আয় কমলাপুর কাস্টমের

রাজধানীর কমলাপুর কাস্টম হাউসের কমিশনার একেএম নুরুজ্জামান বলেছেন, ‘২০১১-২০১২ অর্থবছরের কাস্টম হাউসের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ১৯৬২ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২২৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা বেশি। রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২৯ দশমিক ১০ শতাংশ।

শনিবার রাজধানীর কমলাপুরের কাস্টম হাউসে (আইসিডি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘২০০৯-২০১০ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬৩৮ কোটি টাকা এবং আদায় হয়েছিল ১৩৪৬ কোটি টাকা এবং ২০১০-২০১১ অর্থ বছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫৪৬ কোটি টাকা এবং আদায় হয়েছিল ১৫২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত তিন অর্থবছরের মধ্যে এবারই প্রথম রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কাস্টম হাউসের যুগ্ম-কমিশনার শওকত আলী সাদী, উপ-কমিশনার কাজী মুহম্মদ জিয়াউদ্দীন, সহকারী কমিশনার ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, খোজিস্তা আখতার, ইসরাত জাহান মনি, নাজমুন নাহার কায়সার, মুখলেছুর রহমান খান, সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার অর্জিত হওয়ার কয়েকটি কারণ
১) চলতি অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ তেমন না বাড়লেও মোটিভেশনের মাধ্যমে একটি ভারসাম্যমূলক শুল্কায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালানো। ২) রাতারাতি শতভাগ শুল্ক ফাঁকি রোধ করা সম্ভব না হলেও দপ্তরের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে মোটিভেশনকে গুরুত্ব দিয়ে তা একটি সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা। ৩) কাস্টম হাউস এবং শুল্ক গোয়েন্দার সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কড়া নজরদারি ও কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি। ৪) মাত্র আট মাস আগে কাস্টম হাউসের সৃষ্টি হয়েছে। আগে দুটি শুল্কায়ন গ্রুপের পরিবর্তে সমগ্র আমদানি চালান শুল্কায়নের জন্য নির্ধারিত এইচএস কোড অনুযায়ী ১১টি শুল্কায়ন গ্রুপে বিভাজন করে শুল্কায়ন গ্রুপ পুনর্বিন্যাস করা। এছাড়া কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন অন্যতম।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৫ ঘণ্টা, জুন ৩০, ২০১২