চার জাতির গ্যাস পাইপলাইনে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

NewImage

মানবজমিন ডেস্ক: তুর্কমেনিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তান ও ভারত গ্যাস কেনাবেচা সংক্রান্ত চুক্তি সই করার পর এবার বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর দ্বারস্থ হয়েছে। বাংলাদেশ ৪ জাতির ওই গ্যাস পাইপলাইনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ব্যাপারে এরই মধ্যে এডিবি’র কাছে চিঠি লিখেছে বাংলাদেশ। গতকাল এ খবর দিয়েছে অনলাইন

পাকিস্তান টুডে। ‘বাংলাদেশ ওয়ান্টস টু ফিট ইন্টু দ্য পাইপলাইন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল- কি পরিমাণ গ্যাস আমদানি করতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এর জবাবে তিনি বলেছেন, তাদের চাহিদা অল্প। যেহেতু আফগানিস্তান তাদের চাহিদার অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তা বাংলাদেশকে দেয়া যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে এই পাইপলাইনের কাজ ৪ জাতির মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে। বাংলাদেশ এতে যুক্ত হতে পারে তার পরে। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে একক উদ্যোগে। ইরান ও পাকিস্তানের (আই-পি) গ্যাস পাইপলাইন সম্পন্ন হয়েছে যৌথ উদ্যোগে। কিন্তু চার জাতির এ প্রকল্প সেভাবে হবে না। ১৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনের নির্মাতা উদ্যোক্তা এরই মধ্যে খোঁজা শুরু হয়েছে। এতে আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ৭৬০ কোটি ডলার। বাংলাদেশ যদি এতে যুক্ত হয় তাহলে পাইপলাইন বিস্তৃত করে ২৫০০ কিলোমিটার করা হবে। এ পাইপলাইনে এরই মধ্যে ৭ হাজার কিলোমিটার ব্যবহার করে গ্যাস সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। চূড়ান্তভাবে মূল উদ্যোক্তা নির্বাচন করার পর এ প্রকল্পের প্রকৌশলগত ডিজাইন নিয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই প্রকল্প সম্পন্ন করতে হবে ২০১৭ সালের মধ্যে। আইপি গ্যাসের দাম নিয়ে দর কষাকষি প্রসঙ্গে সূত্র বলেছে, এ প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে। কারণ ইরানের গ্যাসের চেয়ে তুর্কমেনিস্তানে গ্যাসের দাম কম। পাকিস্তান যদি অন্য কোন উৎস থেকে কম দামে গ্যাস কিনতে পারে সেক্ষেত্রে আইপি চুক্তিতে গ্যাসের দাম নিয়ে সমঝোতার একটি অংশ রাখা হয়েছে।