দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রেকর্ড

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর এ কৃতিত্ব মুক্তাগাছা কাশিমপুর বিএডিসি’র খামারের। প্রতি হেক্টরে ১০ টন ধান উৎপাদনের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বছরে ৪ বার এমন ধান উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে কৃষি গবেষণায় নিয়োজিত বিজ্ঞানীরা জানান। বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. এস এম নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশকে খাদ্যে আÍনির্ভরশীল হতে হলে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ধান চাষের বিকল্প নেই। সারাদেশে এ ধরনের ধান উৎপাদনের কৃষকদের উৎসাহ সৃষ্টি করতে হবে। এ পদ্ধতিতে ধান উৎপাদনে খরচ কম হবে। কৃষকরাও অধিক মুনাফা পাবে।চলতি বছরের গত ২০ ফেব্র“য়ারিতে সর্বাধুনিক প্রক্রিয়ায় অটোমেটেড নার্সারিতে উৎপাদিত চারা রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে রোপণ করা হয়। চারা রোপণের মাত্র ৮০ দিনে এই ধান কর্তন করা হয়। এ বিষয়ে বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. এস এম নাজমুল ইসলাম বলেন, এই সর্বোচ্চ রেকর্ড উৎপাদনের মূল ভূমিকা পালন করেন গোল্ডেন ব্রান ইঙ্ক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহদাব আকবর। আলাপকালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহদাব আকবর বলেন, এই আধুনিক প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ ও নুতন বিভিন্ন জাতের ধান প্রাšি-ক কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়াই তার জীবনের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন- সরকার, এনজিও, ফাও- এর সমন্বিত সহযোগিতা পেলে মাত্র ৩ বছরের মধ্যে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বা¯-বায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্থায়ীভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণকরণ ও অন্যতম খাদ্য রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পৃথিবীর মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। তিনি বলেন, এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে গ্রাম পর্যায়ে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্ত বলায় গড়ে তোলা হবে। উপজেলা পর্যায়ে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত ধান সরাসরি বাজারজাত করার মাধ্যমে ধানের সর্বোচ্চ মূল্য নিশ্চিত করার মহাপরিকল্পনা নিয়ে শাহদাব আকবর কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার কোনও বিকল্প নেই।