বাংলাদেশ ক্রীকেট ইতিহাসের প্রথম “শতরান” জহিরের

সালটা ছিলো ১৯৭৫..দিনটা ছিলো মার্চের আনলাকি থার্টিন..তবে দিনটা যে তার কাছে এতটাই লাকি হয়ে ধরা দিবে বোধ করি তিনিও ভাবেননি..ইতিহাসের পাতায় ঠাই করে যে নিলো তার নাম..১৩ মার্চ তাই লিখে রাখলেন স্মরনীয় দিন আর ঘটনা হিসেবে..যে কথা ভাবলে আজও পুলোকিত করে তার মনকে..করবেই না কেন..দেশ স্বাধীনের পর বাংলাদেশ ক্রীকেট ইতিহাসের প্রথম “শতরান” এর প্রশংসনীয় নজীরটি গড়েছিলেন তিনি..বলছিলাম সেঞ্চুরীয়ান ব্যাটসম্যান আহসান জহিরের অনন্য কৃতিত্বের কথা..সেবার বরিশালের হয়ে জাতীয় ক্রীকেটের ফাইনালে ঢাকা ষ্টেডিয়ামে কুমিলøার বিরুদ্বে জহিরের ব্যাট থেকে আসে মনমাতানো ১০০ রান..আস্থা ও নির্ভরতার সাথে দীর্ঘ ২৬০ মিনিট ব্যাট চালিয়ে মাত্র ৬ বাউন্ডারীর সাহায্যে কৃতি ব্যাটসম্যান জহির তার শতরান পূর্ন করেছিলেন..যদিও তার শতরানটি শেষ অবধি স্বান্তনা হয়ে রয়..কারন কুমিলøা জেলা দল ৩০০ রান তুলে নিয়ে বরিশালকে ২৩১ রানে আটকে রেখে প্রথম ইনিংসে লীড নিয়ে প্রথম জাতীয় ক্রীকেটের চ্যাম্পিয়নের স্বাদ নেয়..


খ্যাতিমান ক্রীকেটার জহিরের ঢাকা লীগ ক্রীকেটের সূচনা হয়েছিলো মোহামেডানের হয়ে..এরপর নানা সময় খেলেছেন আবাহনী-উদিতি-সূর্যতরুন-ভিক্টোরিয়া-ওয়ার্ন্ডারাস ও শান্তিনগর ক্লাবের হয়ে..এর মাঝে জহিরের চোঁখ  ঝলসানো ও তুলে ধরার মত আরেকটি ব্যাটিং নৈপূন্য ছিলো ১৯৭৮-৭৯ মরসুমে ভিক্টোরিয়ার হয়ে উদিতির বিরুদ্বে..এক ঝড়ো গতির শতরান আসে তার শানীত ব্যাট থেকে..মাত্র ৫৪ বলে তুলে নিয়েছিলেন মনমাতানো ১০১ রান..যে রান আসে ১৭ টি দর্শনীয় বাউন্ডারী আর ৩টি বিশাল ছক্কার মাঝে…