প্রথমবারের মতো মাছ মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন

মাছ ও মাংস উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথমবারের মত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বলে একটি সরকারি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি মাছ ও গবাদি পশুর উৎপাদনে ব্যাপক অগ্রগতির ফলে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী দেশে বছরে ৪০ দশমিক ৫০ লাখ টন মাছের চাহিদা রয়েছে। সরকারি প্রতিবেদন বলছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চাহিদা ছাড়িয়ে দেশে মাছ উদ্বৃত্ত ছিল। এসময়ের মধ্যে দেশে মাছ উৎপাদিত হয়েছে ৪১ দশমিক ৩৪ লাখ টন।

আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, ৭১ দশমিক ৩৫ লাখ টন মাংসের চাহিদার বিপরীতে গত বছর দেশে মাংস উৎপাদিত হয়েছে ৭১ দশমিক ৫০ লাখ টন।

এই অবস্থায় মাছের উৎপাদন আরও বাড়াতে সামুদ্রিক মাছ আহরণের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ গতকাল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, “প্রথমবারের মতো মাছ ও মাংস উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। দেশের জন্য অনেক বড় অর্জন এটি।”

এই স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখা ও উন্নত জাত উদ্ভাবনকেই এখন বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, রপ্তানিতে মান ধরে রাখতে সম্মত হয়েছি এখন স্থানীয়ভাবে যে মাছ খাওয়া হয় তার মানের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।

আজ সংবাদ সম্মেলন করে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের এই কথা ঘোষণা করবে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।