সর্জন পদ্ধতিতে শিম চাষে সফলতা

ভোলায় ৫ হাজারেও বেশি চাষি নতুন এক পদ্ধতিতে শিম চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। সর্জন নামে পরিচিত এ পদ্ধতিতে অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলেও ফসলের কোন ক্ষতি হয় না। ফলে দিন দিন এ পদ্ধতিতে ঝুঁকছেন ভোলার শিম চাষিরা। এর ফলে এক সময়ের ধানি জমিতে এখন চাষ হচ্ছে শীতকালের সবজি শিম।

হঠাৎ বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে যখন বেশিরভাগ রবিশস্য নষ্ট হয়েছে, ঠিক তখন সর্জন পদ্ধতিতে শিম চাষ করে সফল হয়েছেন ভোলার অনেক কৃষক। এ পদ্ধতিতে জমি থেকে মাটি কেটে অন্তত দুই ফুট উঁচু করে আড় বেঁধে মাচা তৈরি করতে হয়। আর সেই মাচায় চাষ হয় শিমের। এভাবে শিমের আবাদ করে অধিক ফলনের পাশাপাশি বাজারমূল্যও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। ফলে দিন দিন এ পদ্ধতিতে ঝুঁকছেন শিম চাষিরা।

কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী, চলতি বছরে ৫ হাজারেরও বেশি কৃষক সর্জন পদ্ধতিতে শিম চাষ করেছেন। ৯০ এর দশক থেকে দেশে এ পদ্ধতিতে শিম চাষ হয়ে আসছে।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ প্রশান্ত কুমার সাহা জানান, এবার জেলার ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলায় সর্জন পদ্ধতিতে সবচেয়ে বেশি শিম চাষ হয়েছে।

এবার ভোলায় সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩২২ টন। এরমধ্যে শুধু ১২ হাজার ৬৬০ টন শিম উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।