ওষুধে স্বপ্নপূরণ

‘কার্ভিডিলোল’_মরণব্যাধি হৃদরোগ প্রতিরোধী এই ওষুধটি স্বপ্ন পূরণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল বাংলাদেশকে। ওষুধ তৈরির কাঁচামাল রফতানির মাধ্যমে প্রায় দুই যুগ আগে স্বপ্নযাত্রার শুরু এ শিল্প খাতে। ১৯৯২ সালে ইরান, হংকং, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়ায় পেনিসিলিন তৈরির কাঁচামাল রফতানি করে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। পরবর্তী বছরে প্যারাসিটামল গ্রুপের নাপাসহ ১৮ আইটেমের ওষুধ রাশিয়ার বাজারে রফতানি করে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর থেকে প্রতি বছরই রফতানির তালিকায় যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের নতুন নতুন কোম্পানির ওষুধ। তবে চলতি মাসে এ শিল্পে আবারও স্বপ্ন পূরণের মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ_ ‘কার্ভিডিলোল’ সেই গৌরব নিয়ে এলো এ দেশের জন্য। এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও পাওয়া যাবে ‘মেড ইন বাংলাদেশে’র এ ওষুধ। শীর্ষস্থানীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের হৃদরোগ প্রতিরোধী কার্ভিডিলোল সেখানকার বাজারে প্রবেশের অনুমোদন পাওয়ায় শুরু হলো ওষুধ শিল্পের নতুন অভিযাত্রা।

এক সময় বাংলাদেশ ছিল ওষুধ আমদানিনির্ভর দেশ। সে অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটেছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশের বাজারে যাচ্ছে এ দেশের ওষুধ। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্র জানাচ্ছে, বর্তমানে বিশ্বের ১৬০টি দেশে বাংলাদেশের উৎপাদিত ওষুধ রফতানি হচ্ছে। দেশীয় ৪৬ কোম্পানির প্রায় ৩০০ আইটেমের ওষুধ যাচ্ছে বিদেশে। এ শিল্পের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে গত পাঁচ বছরে রফতানি আয় দ্বিগুণ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাতের উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের রয়েছে অপরিসীম সম্ভাবনা। আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের ওষুধের বাজার ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সমকালকে বলেন, ‘পোশাকের পর ওষুধ শিল্প হবে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাত। তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে।’

‘কার্ভিডিলোল’ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের অনুমোদন পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা

পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন সমকালকে বলেন, ‘দেশ-বিদেশে সবাই কথায় কথায় বেক্সিমকোর

ওষুধের প্রশংসা করে থাকে। শুনে ভালো লাগে। কিন্তু বেক্সিমকোর ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) অনুমোদিত কি-না অথবা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বেক্সিমকোর ওষুধ রফতানি করা হচ্ছে কি-না_ কেউ যখন এমন প্রশ্ন করত, তখন বিব্রত হতাম। স্বপ্ন দেখতাম, আর মনে মনে বলতাম, কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। একদিন নিশ্চয়ই অনুমোদন পাবে, রফতানি করা হবে। সেই বহুল প্রতীক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এবার শুধু এগিয়ে যাওয়ার পালা।’

বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির (বাপি) সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন নাজমুল হাসান পাপন। আলাপকালে ওষুধ শিল্পের সামগ্রিক ভবিষ্যৎও তুলে ধরেন তিনি, ‘বাংলাদেশের আরও কয়েকটি কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওষুধ রফতানির পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই বেক্সিমকোর পাশাপাশি অন্য কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ওষুধ রফতানিতে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলবে।’ গত অর্থবছর দেশে মোট রফতানি আয় হয়েছে তিন হাজার ৪২৪ কোটি ডলার (৩৪ বিলিয়নের বেশি)। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, যা দুই লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ওষুধ শিল্প খাতে আয় আট কোটি ২১ লাখ ডলার বা ৬৫০ কোটি টাকা। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমিন সমকালকে জানান, বিদেশে রফতানির পাশাপাশি দেশের বাজারে এখন বছরে ১৬ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি হয়। দেশীয় কোম্পানিগুলো বার্ষিক চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ উৎপাদন করছে।

যেভাবে যাত্রা শুরু :বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের শুরু কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। এ প্রসঙ্গে সমকালের সঙ্গে আলাপচারিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে এখানকার ওষুধ শিল্পগুলো স্থানীয় পর্যায়ের মাত্র ২০ শতাংশ চাহিদা মেটাত। বাকি ৮০ ভাগ পশ্চিম পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হতো। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ ওষুধের তীব্র সংকটে পড়ে। বৈদেশিক মুদ্রার সংকট থাকায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তখন বাংলাদেশে ওষুধ বিক্রিতে অনীহা দেখায়। ওই দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় হাঙ্গেরি। পূর্ব ইউরোপের এ দেশটির ইগিস, গেইডেন রিখটার, কাইরন, মেডিম্পেক্স কোম্পানি তখন বার্টার ট্রেডে বাংলাদেশে ওষুধ পাঠাতে রাজি হয়। বিনিময়ে বাংলাদেশ পাঠাত পাট ও অন্যান্য কাঁচা পণ্য।’ এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে এক দশকেরও বেশি সময় লেগেছে বলে জানান বাংলাদেশের প্রখ্যাত এই ওষুধ বিশেষজ্ঞ।

১৯৮২ সালে ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি হয়। এর ফলে বিদেশি ওষুধ কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া বাণিজ্য থেকে দেশীয় শিল্প মুক্তি পায়। দেশীয় কোম্পানিগুলো মানসম্মত ওষুধ তৈরি করায় অনেক প্রভাবশালী বিদেশি ওষুধ কোম্পানি বাধ্য হয় বাংলাদেশের বাজার থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে। আ ব ম ফারুকের দাবি, ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পেঁৗছে গেছে। বিশ্বের অনুন্নত ৪৮ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পে সবচেয়ে এগিয়ে। বর্তমানে এখানকার ২৫৭টি কোম্পানির কারখানায় বছরে ২৪ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ উৎপাদিত হচ্ছে। বছরে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ওষুধ ও কাঁচামাল উৎপাদিত হচ্ছে। একইসঙ্গে এই শিল্প প্রায় দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ :ওষুধ শিল্প সমিতির সাবেক মহাসচিব আবদুল মোকতাদির সমকালকে বলেন, ‘সরকারি ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান এবং মান যাচাইকারী ল্যাবরেটরি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ওষুধ খাতের রফতানি বাজার ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে ।’

ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব এসএম শফিউজ্জামান বলেন, ‘সম্প্রতি এ দেশের ওষুধ সম্পর্কে জানতে কেনিয়ার নাইরোবিতে আমাদের আমন্ত্রণ করে নেওয়া হয়। আমদানির ওপর নির্ভর_ আফ্রিকার এমন সাতটি দেশের প্রতিনিধিরা তখন আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারা তাদের দেশে ওষুধ উৎপাদন করার ব্যাপারে পরামর্শ চান। বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে তাদের দেশে ওষুধ উৎপাদন করার প্রস্তাবও দেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করার আগ্রহও দেখান। তাদের এসব প্রস্তাব সরকারকে জানানো হয়েছে।’

পাশাপাশি নানা চ্যালেঞ্জও রয়েছে এ শিল্পে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা-সংক্রান্ত কাঠামোগত সমঝোতা চুক্তি (টিকফা) হওয়ায় এখানকার ওষুধ শিল্প খাত আগামীতে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে। টিকফা চুক্তির একটি বড় প্রস্তাবনা হচ্ছে_ বাণিজ্য সম্পর্কিত মেধাসম্পদ স্বত্বাধিকার (ট্রিপস) আইনের কঠোর বাস্তবায়ন। ২০০১ সালের দোহা ঘোষণা অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ওষুধের ক্ষেত্রে মেধাস্বত্ত্ব বিষয়ক বিধিনিষেধ থেকে বাংলাদেশের ছাড় পাওয়ার কথা ছিল। এখন তা ২০৩৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। দোহা চুক্তির ওই সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো পেটেন্ট করা বিভিন্ন ওষুধ উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে রফতানিও করছে। ২০৩৩ সালের পর এ সুবিধা না থাকায় বাংলাদেশের ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক ইত্যাদির লাইসেন্স ব্যয়সহ উৎপাদন খরচ বাড়বে। জীবন রক্ষাকারী অনেক ওষুধের দাম বেড়ে যাবে। ফলে জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

তবে ট্রিপস বাস্তবায়ন হলেও সমস্যা হবে না বলে মনে করেন নাজমুল হাসান পাপন। তার মতে, এখানকার ওষুধ শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামালের বড় অংশই আমদানিনির্ভর। কাঁচামালের জন্য পরিকল্পনা অনুযায়ী শিল্প পার্ক করা হলে দেশের মধ্যেই তা উৎপাদন করা যাবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সমকালকে বলেন, ‘পোশাকের পর ওষুধ শিল্প হচ্ছে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাত। তাই এ খাতের উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন সরকার তাই করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ওষুধ শিল্পের জন্য অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) পার্ক স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দেশীয় ৪২ ওষুধ কোম্পানিকে সেখানে প্লট দেওয়া হবে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ওইসব কারখানা থেকে কাঁচামাল তৈরি করে কোম্পানিগুলো ওষুধ উৎপাদনে যেতে পারবে। তখন ওষুধ উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল আমদানি করতে হবে না।

সহায়ক নীতিমালা :বর্তমান সরকারের নীতিমালা ওষুধ শিল্প বিকাশের সহায়ক। জাতীয় শিল্পনীতিতে এ শিল্পকে থার্স্ট সেক্টর বা অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রফতানিমুখী অন্যান্য শিল্পের মতো ওষুধ শিল্পও কর অবকাশ সুবিধা পাচ্ছে। এ শিল্পের প্রসারের লক্ষ্যে ওষুধ তৈরির কাঁচামালে শুল্কহার আগের চেয়ে কমানো হয়েছে। দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় উৎপাদন পর্যায়ে মূল্য সংযোজন করহার কমানো হয়েছে। এসব কর প্রণোদনার পাশাপাশি জীবন রক্ষাকারী বেশ কিছু ওষুধ আমদানিতে ব্যাপক শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, ‘এসব কর প্রণোদনা দেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশীয় ওষুধ শিল্পের উৎপাদন খরচ কমানো। যাতে করে এ শিল্পের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ে।’

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় ওষুধ শিল্পের সুরক্ষায় সবচেয়ে বেশি সুবিধা দেওয়া হয় দুই বছর আগে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশীয় ওষুধ শিল্পে ব্যবহৃত হয় এমন তিন শতাধিক কাঁচামালের শুল্কহার কমিয়ে পাঁচ এবং ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ওষুধ শিল্প দশ বছরের জন্য হ্রাসকৃত হারে কর অবকাশ সুবিধা পাচ্ছে। আগামী ২০১৯ সালের জুনে এ সুবিধার মেয়াদ শেষ হবে। ওষুধের দাম সাশ্রয়ী করতে উৎপাদন পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায়ে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, দেশীয় ভাবে উৎপাদিত অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদন পর্যায়ে শতকরা চার ভাগ ভ্যাট আদায় করা হয়। ওষুধের ক্ষেত্রে আদায় করা হয় দুই ভাগ।

পাঁচ বছরে রফতানি দ্বিগুণ :এসব কর প্রণোদনা ও সহায়ক নীতিমালার কারণে দেশীয় ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছে। বাড়ছে রফতানি আয়। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে এ খাতে রফতানি আয় দ্বিগুণ বেড়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে রফতানি আয় হয়েছিল চার কোটি ৮২ লাখ ডলার। গত (২০১৫-১৬) অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট কোটি ২১ লাখ ডলার। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী যা প্রায় সাড়ে ৬৫০ কোটি টাকা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রায় ছয় কোটি ডলারের, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে প্রায় সাত কোটি ডলারের ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সাত কোটি ২৬ লাখ ডলারের ওষুধ রফতানি করেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে এ দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ওষুধ রফতানি হয় মিয়ানমারে। গত অর্থবছরে মিয়ানমারে ওষুধ রফতানি হয়েছে এক কোটি ৩৬ লাখ ডলার বা ১০৭ কোটি টাকা। এ তালিকায় শ্রীলংকা (এক কোটি ৩৪ লাখ ডলার) রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে।