‘প্রবৃদ্ধি অর্জনে শ্রমজীবীরা বড় অবদান রাখছে’

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাসহ কঠোর পরিশ্রমী মানুষেরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখছে।

ড. আতিউর রহমান আরো বলেন, বাংলাদেশের গল্প এখনো বলার বাকি আছে। এটা এমন এক বিস্ময়কর গল্প যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাসহ একদল কঠোর পরিশ্রমী মানুষেরা স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে কৌশলী ভূমিকা রাখছে।

গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এ অভিমত ব্যক্ত করেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত ব্যাপকভিত্তিক অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

‘বাংলাদেশ ডেভেলমেন্ট ইনিশিয়েটিভ কনফারেন্স ২০১৫’ শীর্ষক ওই সম্মেলনে মূল বক্তা ড. আতিউর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি বিবরণীতে অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পৃক্ততা স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়েছে।

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘এখন আমাদের লক্ষ্য পরিবেশগতভাবে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়ন ঘটানো। ২০৩০ সালের মধ্যে একটি উচ্চ মধ্যবিত্ত দেশের কাতারে প্রবেশ এবং ৪০-এর দশকে অগ্রসর অর্থনীতির দেশের মর্যাদা অর্জন করার যে প্রসার তার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থসামাজিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের গতি বাড়াতে সরকারের সব সংস্থার সঙ্গে বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’

২০৩০ সালের মধ্যে অগ্রসরমান বাংলাদেশ বির্নিমাণে আর্থসামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থার প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি সংস্থাগুলো সহায়তা করছে বলে তিনি জানান।